প্রতিষ্ঠানের সব কাজ, এক সফটওয়্যারে
ভর্তি রেজিস্টার, বেতনের রসিদ বই, নম্বরের খাতা, রেজাল্ট শিট আর ক্লাস রুটিন — যে কাজগুলো এখন কাগজে বা আলাদা আলাদা Excel ফাইলে হয়, সব এখন এক জায়গায়। অফিসের কম্পিউটার বা শিক্ষকের মোবাইল — যেখান থেকে খুশি চালান।
কিন্ডারগার্টেন, স্কুল, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা, প্রাথমিক বিদ্যালয় আর কোচিং সেন্টার — প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের তথ্য আলাদা থাকে, প্রত্যেকে কাজ করেন নিজের লগইনে।
দাম
শিক্ষার্থী যত জনই হোক, সব সেবা একই দামে — কোনো লুকানো খরচ নেই। বিল আর এসএমএসের টাকা দিন বিকাশ বা নগদ দিয়ে, ঘরে বসেই।
মাসিক
৳১,০০০ / মাস
সফটওয়্যার ও সার্ভার — নিচের সব সেবা, যত শিক্ষার্থী আর ব্যবহারকারীই থাকুক
প্রথম বিল নিবন্ধনের ১০ দিন পরে, প্রথম মাসের শুধু বাকি দিনগুলোর জন্য; তারপর প্রতি মাসের শুরুতে।
রেজিস্ট্রেশন ফি (এককালীন)
৳১,০০০
শুরুতে একবারই দিতে হয়; বিকাশ বা নগদ দিয়ে পাঠিয়ে সফটওয়্যারেই জানিয়ে দিন
এসএমএস (আমাদের নিজস্ব সার্ভিস)
৳০.৪০ / এসএমএস
যতগুলো পাঠাবেন, শুধু ততগুলোর দাম। বাংলিশে ১৬০ বা বাংলায় ৭০ অক্ষরে এক এসএমএস; পাঠানোর আগেই মোট খরচ দেখে নিতে পারবেন।
ভবিষ্যতে অনলাইন পেমেন্ট — বিকাশ, নগদ, রকেট বা কার্ডে সরাসরি
সব সেবা এক জায়গায়
সবার কাজ এক সফটওয়্যারে — প্রত্যেকে নিজের লগইনে, আপনার দেওয়া অনুমতিতে।
শিক্ষার্থী ও ভর্তি
- ভর্তি ও পুনঃভর্তি, রসিদসহ
- শিক্ষার্থীর প্রোফাইল ও পুরো ইতিহাস
- Excel থেকে তালিকা আমদানি
- বছর শেষে শ্রেণি উন্নয়ন
শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান
- শিক্ষক ও কর্মচারী
- শিক্ষক বণ্টন
- শ্রেণি, শাখা ও বিষয়
- পদভিত্তিক অনুমতি
- একাধিক ক্যাম্পাস
পড়াশোনা
- দিনভিত্তিক ক্লাস রুটিন
- পাঠ-বিবরণী ও বাড়ির কাজ
- নোটিশ বোর্ড
পরীক্ষা ও ফলাফল
- অংশভিত্তিক নম্বর এন্ট্রি
- বোর্ডের নিয়মে জিপিএ ও মেধাক্রম
- মার্কশিট — প্রিন্ট ও PDF
- ফলাফলের এসএমএস
ফি ও হিসাব
- মাসিক বিল নিজে থেকেই
- আদায় ও রসিদ
- ছাড়, মওকুফ ও বিলম্ব ফি
- বেতন, ভাউচার ও আয়-ব্যয়
এসএমএস ও অন্যান্য
- নিজস্ব এসএমএস সার্ভিস
- বকেয়ার এসএমএস নিজে থেকেই
- ড্যাশবোর্ড ও রিপোর্ট
- কার্যক্রম লগ
- বাংলা ও ইংরেজি, মোবাইলেও
যা আসছে
শীঘ্রই শিক্ষার্থীর হাজিরা · বায়োমেট্রিক হাজিরা ডিভাইস · শিক্ষক-কর্মচারীর হাজিরা · প্রশ্নপত্র তৈরি · আইডি কার্ড, সার্টিফিকেট ও টিসি · আবাসিক শিক্ষার্থী (হোস্টেল) ভবিষ্যতে অনলাইনে ফি আদায় (বিকাশ, নগদ, রকেট, কার্ড) · ছুটির ক্যালেন্ডার · অভিভাবক পোর্টাল
এক নজরে পুরো প্রতিষ্ঠান
আদায়, বকেয়া, শিক্ষার্থী আর ফলাফল — ড্যাশবোর্ডে চার্টে, প্রতিদিন নিজে থেকেই হালনাগাদ।
মাসভিত্তিক আদায়
ছাত্র-ছাত্রী অনুপাত
- ছাত্র ৫৩%
- ছাত্রী ৪৭%
গ্রেড বণ্টন
শ্রেণিভিত্তিক শিক্ষার্থী
যে ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য
আপনার প্রতিষ্ঠানের ধরন বেছে নিলেই শ্রেণি, বিষয়, পরীক্ষা আর গ্রেড তৈরি — প্রথম দিন থেকেই কাজ শুরু, পরে সবই নিজের মতো বদলানো যায়। একাধিক ধরন একসাথেও চলে — যেমন কিন্ডারগার্টেন + হাইস্কুল, বা হাইস্কুল + কলেজ — সব শ্রেণি এক অ্যাকাউন্টেই।
কিন্ডারগার্টেন
প্লে ও কেজি, চাইলে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত
প্রাথমিক বিদ্যালয়
প্লে থেকে পঞ্চম শ্রেণি
মাধ্যমিক বিদ্যালয়
ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি
স্কুল
প্লে থেকে দশম শ্রেণি
স্কুল ও কলেজ
প্লে থেকে দ্বাদশ শ্রেণি
কলেজ
একাদশ–দ্বাদশ, চাইলে প্রথম থেকে দশম শ্রেণিও
মাদ্রাসা
ইবতেদায়ি, দাখিল ও আলিম
কোচিং সেন্টার
প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ব্যাচ
যে পরীক্ষাগুলো নেওয়া যায়
ছোট ক্লাস টেস্ট থেকে বোর্ডের প্রস্তুতি — সব পরীক্ষা এক জায়গায়। প্রতিটি বিষয়ের নম্বর আপনার নিয়মে ভাগ করুন — লিখিত, সৃজনশীল, বহুনির্বাচনী, ব্যবহারিক — যেকোনো পূর্ণমানে। একবার সাজালেই প্রতি বছর চলে, আগের বছরের নম্বরও থেকে যায়।
সাপ্তাহিক পরীক্ষা
নিজের দেওয়া নামে, যতগুলো দরকার
মাসিক পরীক্ষা
প্রতি মাসে, মাসের নামে
ক্লাস টেস্ট
বিষয়ভিত্তিক ছোট পরীক্ষা
প্রথম সাময়িক পরীক্ষা
বছরের প্রথম পর্বে
দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা
বছরের দ্বিতীয় পর্বে
অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা
বছরের মাঝামাঝি
বার্ষিক পরীক্ষা
বছর শেষে, শ্রেণি উন্নয়নের আগে
প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা
নির্বাচনীর আগের প্রস্তুতি
নির্বাচনী পরীক্ষা
এসএসসি / এইচএসসি / দাখিল / আলিমের আগে
মডেল টেস্ট
বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতি — স্কুল ও কোচিং দুটোতেই
নিজের মতো (কাস্টম)
ওপরের কোনোটি না মিললে, নিজের দেওয়া নামে যেকোনো পরীক্ষা
যে বিষয়গুলো থাকে
প্রচলিত বিষয়গুলো আগে থেকেই তৈরি — এক ক্লিকেই যোগ হয়; ব্যবসায় বা মানবিক বিভাগের বিষয়ও নিজের মতো যোগ করুন। ১ম ও ২য় পত্র মিলিয়ে গ্রেড আর ৪র্থ বিষয়ের হিসাব — সবই বোর্ডের নিয়মে, নিজে থেকে।
বাংলা (প্লে–দ্বাদশ; ষষ্ঠ থেকে ১ম ও ২য় পত্র)
ইংরেজি (প্লে–দ্বাদশ; ষষ্ঠ থেকে ১ম ও ২য় পত্র)
গণিত (প্লে–দশম)
অঙ্কন (প্লে, কেজি)
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (তৃতীয়–দশম)
প্রাথমিক বিজ্ঞান (তৃতীয়–পঞ্চম)
বিজ্ঞান (ষষ্ঠ–অষ্টম)
ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা (তৃতীয়–দশম)
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ষষ্ঠ–দ্বাদশ)
পদার্থবিজ্ঞান (নবম–দ্বাদশ)
রসায়ন (নবম–দ্বাদশ)
জীববিজ্ঞান (নবম–দ্বাদশ)
উচ্চতর গণিত — ৪র্থ বিষয় (নবম–দ্বাদশ)
কুরআন মাজিদ ও তাজবীদ (মাদ্রাসা, প্রথম–দ্বাদশ)
আকাইদ ও ফিকহ (মাদ্রাসা, প্রথম–দশম)
হাদিস শরিফ (মাদ্রাসা, ষষ্ঠ–দ্বাদশ)
আরবি (মাদ্রাসা, প্রথম–দ্বাদশ; ষষ্ঠ থেকে ১ম ও ২য় পত্র)
ইসলামের ইতিহাস (মাদ্রাসা, একাদশ–দ্বাদশ)
নিজের মতো (কাস্টম) (যেকোনো শ্রেণি)
আপনার বিষয় তালিকায় নেই? নিজের দেওয়া নামেই যোগ করুন — পূর্ণমান আর নম্বরের ভাগও আপনার মতো।
শুরু করা
- ১
নিবন্ধন
প্রতিষ্ঠানের নাম আর আপনার তথ্য দিয়ে কয়েক মিনিটেই।
- ২
রেজিস্ট্রেশন ফি
বিকাশ বা নগদ দিয়ে ফি পাঠান — ১ ঘণ্টার মধ্যেই নিশ্চিত হয়ে সফটওয়্যার পুরোপুরি চালু।
- ৩
সেটআপ
প্রতিষ্ঠানের ধরন বাছুন — শ্রেণি, বিষয়, পরীক্ষা আর গ্রেড নিজে থেকেই সেজে যায়।
- ৪
শিক্ষার্থী আর শিক্ষকদের যুক্ত করুন
পুরনো তালিকা Excel থেকে একবারেই আনুন, শিক্ষক আর অফিসকে যুক্ত করুন — ব্যস, শুরু।
আপনার তথ্য
প্রতিটি প্রতিষ্ঠান আলাদা। এক প্রতিষ্ঠান আরেকটির কোনো তথ্য দেখতে পায় না।
প্রত্যেকের নিজের লগইন। পাসওয়ার্ড এনক্রিপ্ট করে রাখা হয়; কার কতটুকু অনুমতি, আপনি ঠিক করেন।
সব বদলের হিসাব। কে কখন কী বদলালেন, আগে-পরে সহ কার্যক্রম লগে থাকে।
টাকা একবারই। নেট ধীর হলেও একই জমা দুবার হয় না।
প্রশ্নোত্তর
কম্পিউটার না থাকলে চলবে?
চলবে। মোবাইলের ব্রাউজারেই পুরো সফটওয়্যার চলে — নম্বর দেওয়া, টাকা জমা, এসএমএস পাঠানো সবই। রসিদ আর মার্কশিট ছাপাতে অফিসে একটি কম্পিউটার ও প্রিন্টার থাকলে সুবিধা।
পুরনো শিক্ষার্থীদের তথ্য কি আবার একে একে লিখতে হবে?
না। Excel ফাইলে থাকা তালিকা একবারেই তুলে নেওয়া যায়; কোথাও ভুল থাকলে সফটওয়্যার আগেই দেখিয়ে দেয়।
আমাদের নম্বর দেওয়ার পদ্ধতি আলাদা — চলবে?
চলবে। প্রতিটি বিষয়ের নম্বর আপনার নিয়মেই ভাগ করা যায় — লিখিত, সৃজনশীল, বহুনির্বাচনী, ব্যবহারিক বা আপনার দেওয়া যেকোনো নামে; পূর্ণমান আর পাস নম্বরও আপনার মতো। নিয়ম পরে বদলালেও আগের পরীক্ষার নম্বর যেমন ছিল তেমনই থাকে।
আমাদের বিষয়গুলোর নাম তো আলাদা?
সমস্যা নেই। প্রচলিত বিষয়গুলো তৈরি করা থাকে, আর আপনার নিজের বিষয় যোগ করবেন নিজের দেওয়া নামে — বাংলা ও ইংরেজি দুই নামেই। মার্কশিটে আপনার দেওয়া নামই ছাপা হয়।
আমাদের গ্রেডিং পদ্ধতি আলাদা — চলবে?
চলবে। শুরুতে বোর্ডের GPA-5 দেওয়া থাকে; চাইলে নিজের গ্রেড, কোন নম্বর থেকে কোন গ্রেড আর কত পয়েন্ট — সব নিজের নিয়মে বসিয়ে নিন।
এসএমএসের খরচ কেমন?
প্রতি এসএমএস ৳০.৪০ — যতগুলো পাঠাবেন, শুধু ততগুলোর দাম। বিকাশ বা নগদে ব্যালান্সে টাকা রাখলেই হয়, আর পাঠানোর আগেই মোট খরচ দেখে নিতে পারবেন।
মাসিক বিল কখন, কীভাবে দিতে হয়?
প্রথম বিল আসে নিবন্ধনের ১০ দিন পরে, আর প্রথম মাসে শুধু যত দিন বাকি তত দিনের — ৩০ দিনের মাসে ২০ তারিখে শুরু করলে ১১ দিনের বিল। তারপর প্রতি মাসের শুরুতে ব্যালান্স থেকে নিজে থেকেই কেটে নেয়; বিকাশ বা নগদে ব্যালান্সে টাকা রাখলেই হয়।
শুরু করতে কী লাগে, কতদিন লাগে?
নিবন্ধনের সময় রেজিস্ট্রেশন ফি বিকাশ বা নগদে পাঠিয়ে ট্রানজেকশন আইডি দিন — ১ ঘণ্টার মধ্যে নিশ্চিত হয়। তারপর প্রতিষ্ঠানের ধরন বেছে নিলেই শ্রেণি, বিষয়, পরীক্ষা সব তৈরি; সেদিন থেকেই কাজ শুরু করা যায়।
বাংলায় চলে, নাকি ইংরেজিতে?
দুটোতেই। প্রত্যেকে নিজের পছন্দমতো বাংলা বা ইংরেজিতে চালাতে পারেন। রসিদ আর মার্কশিট ছাপা হয় ইংরেজিতে।
নেট ধীর হলে টাকা দুবার জমা হয়ে যাবে না তো?
না। একই জমা দুবার পৌঁছালেও সফটওয়্যার একবারই নেয়, আগের রসিদটিই দেখায়।
আমাদের তথ্য কতটা নিরাপদ?
প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের তথ্য আলাদা থাকে, অন্য কেউ দেখতে পায় না। প্রত্যেকের নিজের লগইন; কে কী দেখবেন বা বদলাবেন তা আপনি ঠিক করেন, আর কে কখন কী বদলালেন সব লেখা থাকে।
কোনো সমস্যা হলে সাহায্য পাব?
পাবেন। সফটওয়্যারের ভেতর থেকেই আমাদের লিখতে পারবেন, উত্তরও সেখানেই আসে; জরুরি হলে ফোন করুন 01722904278।
আজই আপনার প্রতিষ্ঠান চালু করুন
কয়েক মিনিটেই নিবন্ধন, আজই কাজ শুরু। আগে দেখে নিতে চাইলে বা কিছু জানার থাকলে কল করুন বা লিখুন — আমরা দেখিয়ে দেব।